পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যা মামলা: স্ত্রীসহ প্রধান আসামি সোহেল আদালতে, সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু
ঢাকা: রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার চাঞ্চল্যকর মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এ কার্যক্রম শুরু হয়।
মামলার সাক্ষ্যগ্রহণকে কেন্দ্র করে আজ সকাল ১০টা ২০ মিনিটের দিকে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কঠোর নিরাপত্তায় মহানগর হাজতখানা থেকে আদালতে তোলা হয়। এর আগে সকাল পৌনে ৯টার দিকে উভয় আসামিকে কারাগার থেকে আদালতের হাজতখানায় এনে রাখা হয়েছিল।
রাষ্ট্রপক্ষে মোট ১৭ জনকে এই মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে। আজ মামলার বাদী রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা, ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক, আলামত সংগ্রহকারী কর্মকর্তা, তদন্ত কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রতিবেশীদের সাক্ষ্য দেওয়ার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার (১ জুন) আদালত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা এবং মরদেহ গোপনের অভিযোগে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই দিন বিকেলে মামলার বাদীসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়েছিল। এর আগে গত ২৪ মে পল্লবী থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামানের দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল।
মামলার বিবরণী অনুযায়ী, গত ১৯ মে দুপুরে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানা শিশুটিকে হত্যার পর মরদেহ বিকৃত করে গ্রিল কেটে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার দিনই রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় এই দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
