বাংলাদেশ পুলিশকে আরও আধুনিক, জনবান্ধব এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করতে একটি স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ সম্প্রতি এই পরিকল্পনার কথা নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ কমিশন গঠনের মূল লক্ষ্য ও পরিকল্পনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা: পুলিশের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা এবং বাহিনীর ওপর জনগণের আস্থা পুনর্গঠন করা এই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য।
সংস্কার পরিকল্পনা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, একটি গণতান্ত্রিক সরকারের অধীনে পুলিশকে পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে কাঠামোগত পরিবর্তন ও সংস্কার প্রয়োজন। কমিশন গঠনের মাধ্যমে এই সংস্কার প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করা হবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) সহযোগিতা: সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সাথে এক বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, পুলিশ কমিশন গঠন এবং পুলিশ বাহিনীর আধুনিকায়নে ইইউ বাংলাদেশকে কারিগরি ও বিশেষজ্ঞ সহায়তা প্রদানের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
চেইন অফ কমান্ড রক্ষা: পুলিশ যাতে কোনো ধরনের বেআইনি প্রভাবে না পড়ে এবং সম্পূর্ণ পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে এই কমিশন ভূমিকা রাখবে।
সরকার মনে করছে, এই কমিশনের মাধ্যমে পুলিশের নিয়োগ, বদলি এবং পদোন্নতির মতো বিষয়গুলোতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ হবে, যা দীর্ঘ মেয়াদে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সহায়ক হবে।
১. মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও জনস্বস্তি: বাজেট প্রণয়নে সতর্ক অবস্থানের আহ্বান ২. ‘মানুষের কষ্ট লাঘবই হোক লক্ষ্য’: প্রবৃদ্ধির চেয়ে স্বস্তিতে জোর দেওয়ার পরামর্শ ৩. বাজেট যেন মূল্যস্ফীতির আগুনে ঘি না ঢালে—সতর্কবার্তা অর্থনীতিবিদদের
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
আসন্ন জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে দেশের অর্থনীতিবিদ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে একটাই জোরালো দাবি—বাজেট যেন কোনোভাবেই সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে না দেয়। বিশেষ করে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে এমন কোনো পদক্ষেপ বা কর কাঠামো আরোপ করা ঠিক হবে না, যা সরাসরি মূল্যস্ফীতিকে উসকে দেবে।
উচ্চ খেলাপি ঋণ একটা বড় সমস্যা
ইউসিবির চেয়ারম্যান শরীফ জহীর বলেন, ব্যাংক খাতের উচ্চ খেলাপি ঋণ একটা বড় সমস্যা। পাশের দেশ ভারতে আড়াই শতাংশ, পাকিস্তানের খেলাপির হার ৬ দশমিক ৯০ শতাংশ। অথচ বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের খেলাপি ৩০ শতাংশের ওপরে। সামগ্রিক ব্যাংক খাতে এখন ৩ শতাংশের মতো মূলধন ঘাটতি রয়েছে। মন্দ ঋণ কমানোর একটা ফ্রেমওয়ার্ক করতে হবে। ব্যাংকের পুনঃমূলধনীকরণের ওপর জোর দিতে হবে। তা না হলে বিদেশি ব্যাংকগুলোর ক্রেডিট লাইন কমিয়ে দিচ্ছে, পুরো ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর যার প্রভাব পড়ছে।
তিনি বলেন, আমরা স্বল্পমেয়াদি আমানত নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন করি। সরকারকে ব্যাংক থেকে ঋণ কম নিতে হবে। কর আদায় ব্যবস্থাপনা ডিজিটাইজেশন করতে হবে। স্বচ্ছতা বাড়াতে পুরো লেনদেন ব্যবস্থাপনাকে ক্যাশলেস করতে হবে।
মানুষের কষ্টের অবসান যেখানে বাজেট বিশ্লেষকদের মতে, বাজেটে করের বোঝা যেন সাধারণ মানুষের ওপর না পড়ে। বরং:
আয়কর মুক্ত সীমা: মধ্যবিত্তের স্বস্তির জন্য আয়কর মুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো।
অপরিহার্য পণ্যে শুল্ক ছাড়: চাল, ডাল, তেল ও ওষুধের মতো জরুরি পণ্যের আমদানিতে শুল্ক কমিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা।
সামাজিক নিরাপত্তা: টিসিবি বা ওএমএস-এর মতো কার্যক্রমের আওতা বাড়িয়ে নিম্নবিত্ত মানুষকে সুরক্ষা দেওয়া।
বিশেষজ্ঞের অভিমত অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উন্নয়ন প্রকল্পের চেয়ে এখন মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়া এবং ক্রয়ক্ষমতা স্থিতিশীল রাখাই বড় সার্থকতা। তারা মনে করেন, এমন বাজেট প্রণয়ন করা উচিত যা প্রবৃদ্ধির চেয়েও ‘জনস্বস্তি’কে বেশি গুরুত্ব দেবে। অন্যথায়, নতুন বাজেট সাধারণ মানুষের জন্য আশীর্বাদের চেয়ে কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
]]>প্রতিবেদনের সবচেয়ে বড় অভিযোগ হলো ‘গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়’ অনুমোদন নিয়ে।
দ্রুততম অনুমোদন: যেখানে ২২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন বছরের পর বছর ঝুলে আছে, সেখানে ড. ইউনূসের গ্রামীণ ট্রাস্টের এই আবেদন মাত্র ৩ মাসে অনুমোদন পায়।
আর্থিক নীতি লঙ্ঘন: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ অনুযায়ী মেট্রোপলিটন এলাকায় ৫ কোটি টাকা সংরক্ষিত তহবিল থাকার বাধ্যবাধকতা থাকলেও, গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়কে মাত্র ১.৫ কোটি টাকার শর্তে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
ক্ষমতার অপব্যবহার করে ড. ইউনূস তাঁর প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিপুল আর্থিক সুবিধা দিয়েছেন বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে:
গ্রামীণ ব্যাংকের কর মওকুফ: ২০২৯ সাল পর্যন্ত ৫ বছরের জন্য গ্রামীণ ব্যাংককে আয়কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এতে সরকারের প্রায় ১,০০০ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হবে।
কর ফাঁকির অভিযোগ: গ্রামীণ কল্যাণ ট্রাস্টের বিরুদ্ধে ১,০৪৩ কোটি টাকার কর ফাঁকির অভিযোগ এবং ৬৬৬ কোটি টাকার কর মওকুফ সুবিধা নেওয়ার বিষয়গুলো প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
নিজের ক্ষমতার অধীনে থাকাকালীন ড. ইউনূস ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক বেশ কিছু সুবিধাজনক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন:
সাত মামলা নিষ্পত্তি: দুর্নীতির মামলাসহ নিজের বিরুদ্ধে থাকা অন্তত ৭টি মামলা থেকে নিজেকে দ্রুত অব্যাহতি দিয়েছেন।
ব্যবসায়িক লাইসেন্স: ১৬ বছর ঝুলে থাকা জনশক্তি রপ্তানির লাইসেন্স এবং ‘সমাধান সার্ভিসেস লিমিটেড’-এর জন্য ই-ওয়ালেট লাইসেন্স পাওয়া গেছে অস্বাভাবিক দ্রুততায়।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ড. ইউনূস যখন নিজের আখের গুছিয়েছেন, তখন দেশ বড় ধরনের সংকটের মধ্য দিয়ে গেছে:
আইনশৃঙ্খলা: মব সন্ত্রাস, রাজনৈতিক হত্যা ও সাংবাদিক নির্যাতন বেড়েছে।
অর্থনীতি: উচ্চ মূল্যস্ফীতি, খেলাপি ঋণের পাহাড় এবং বিনিয়োগ স্থবিরতায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়েছে।
প্রকল্প স্থবিরতা: মেগা প্রকল্পগুলো থমকে গেছে এবং বিদেশি চুক্তিগুলো বিতর্কের মুখে পড়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের মতে, ড. ইউনূসের এসব কর্মকাণ্ড সরাসরি ‘স্বার্থের সংঘাত’ (Conflict of Interest) এবং শপথ ভঙ্গের শামিল।
মনজিল মোরসেদ: তিনি মনে করেন, ব্যক্তিগত স্বার্থে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ ব্যবহার করে ড. ইউনূস জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন।
ড. শাহদীন মালিক: সংবিধানের ১৪৭ ধারা অনুযায়ী সাংবিধানিক পদে থেকে লাভজনক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়া নিষিদ্ধ। ড. ইউনূসের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো সুবিধা পাওয়ায় এই বিধান সরাসরি লঙ্ঘিত হয়েছে।
মো. তারেক রহমানের মতে, আসন্ন নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী এবং এনসিপির (NCP) শীর্ষ নেতাদের আসনের বিষয়ে বিএনপি বিশেষ ছাড় দিয়েছে। তিনি দাবি করেন, দেশের সাধারণ মানুষের বড় একটি অংশ বিশ্বাস করে যে, বিএনপি এই আসনগুলো জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান ও এনসিপির আহ্বায়কের জন্য ছেড়ে দিয়েছে। তার মতে, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে থাকলে এবং বিএনপিতে বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকলে এই দলগুলোর প্রকৃত জনপ্রিয়তা বোঝা যেত।
বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টাকে লক্ষ্য করে তিনি বেশ কিছু অভিযোগ উত্থাপন করেছেন:
এক-এগারোর ভূমিকা: ড. ইউনূসকে এক-এগারোর ঘটনার অন্যতম উসকানিদাতা হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি।
ক্ষমতায় থাকার আকাঙ্ক্ষা: তার দাবি, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর ড. ইউনূস দীর্ঘমেয়াদে (কমপক্ষে ২০২৯ সাল পর্যন্ত) ক্ষমতায় থাকার পরিকল্পনা করেছিলেন।
আইনি জবাবদিহিতা: ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে তথাকথিত ‘অবৈধ বিদেশি চুক্তি’, ‘কর ফাঁকি’ এবং ‘হামের টিকা জালিয়াতির’ মাধ্যমে শিশুমৃত্যুর ঘটনার বিচার দাবি করেছেন তিনি। এই বিষয়ে তিনি ড. ইউনূসের ঘনিষ্ঠ নূরজাহানকেও আইনের আওতায় আনার কথা বলেন।
তিনি অভিযোগ করেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার বিভিন্ন উপদেষ্টা ও রাজনৈতিক নেতাদের দিয়ে ড. ইউনূস নির্বাচন বিলম্বিত করার নানা বক্তব্য দেওয়াতেন। তার মতে, “বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের যে জাল রাজাকার ও তাদের অনুসারীরা বুনেছিল, তা জনগণের সচেতনতায় ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে।”
]]>নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিন আবেদন আবারও নাকচ করেছেন আদালত। সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়ের করা সেলিম মণ্ডল হত্যা মামলায় এই আদেশ দেন।
মামলার প্রেক্ষাপট: ২০২৪ সালের ২০ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল এলাকায় একটি ভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ইন্টেরিয়র মিস্ত্রী সেলিম মন্ডলসহ তিন শ্রমিক নিহত হন। এই ঘটনায় ২০২৫ সালের ৩০ জুন দায়ের করা মামলায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি আইভীকে গ্রেপ্তার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখানো হয়।
আদালতের কার্যক্রম: শুনানি চলাকালে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতার ঘটনায় আইভীর সম্পৃক্ততা বা নির্দেশ ছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। তবে আসামিপক্ষ এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করেছে। দীর্ঘ যুক্তিতর্ক শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পরবর্তী পদক্ষেপ: আইভীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট আওলাদ হোসেন জানান, ১১টি মামলার মধ্যে ৫টিতে উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেলেও এই মামলায় ন্যায়বিচার মেলেনি। তারা এই আদেশের বিরুদ্ধে দ্রুতই উচ্চ আদালতে (হাইকোর্ট) আপিল করবেন।
]]>আইনি ভিত্তি: অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা ‘জুলাইযোদ্ধা সুরক্ষা অধ্যাদেশ’ এখন সংসদে বিল আকারে পাস করার প্রক্রিয়া চলছে।
অঙ্গীকার: এটি ‘জুলাই জাতীয় সনদে’ দেওয়া অঙ্গীকারের অংশ। এর মূল লক্ষ্য হলো আন্দোলনে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষ ও ছাত্রছাত্রীদের যেকোনো ধরনের হয়রানি বা প্রতিহিংসামূলক আইনি জটিলতা থেকে রক্ষা করা।
সংসদীয় কমিটির ভূমিকা: ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনার জন্য গঠিত বিশেষ সংসদীয় কমিটি এটি পরীক্ষা করছে। আগামী ২০ তারিখ (এপ্রিল) এ নিয়ে কমিটিতে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
ছদ্মবেশী সন্ত্রাসী: গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে যারা পুলিশের পোশাক পরে বা দলীয় ক্যাডার (যুবলীগ-ছাত্রলীগ) হিসেবে সশস্ত্র হামলা ও গণহত্যা চালিয়েছে, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
মামলা ও তদন্ত: ইতিমধ্যে অনেক সুনির্দিষ্ট মামলা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। মন্ত্রী সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করেছেন যে, যদি কোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে এখনো মামলা না হয়ে থাকে, তবে যেন তা করা হয়।
স্বচ্ছ বিচার: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT) এবং সাধারণ আদালতের মাধ্যমে বিচারকাজ চলছে। জনগণের আস্থা ফেরাতে কিছু মামলার বিচারকাজ টেলিভিশনে লাইভ সম্প্রচার করা হচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুলতবি অধিবেশন আজ রোববার বেলা ৩টায় শুরু হচ্ছে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এই অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা নির্ধারিত থাকলেও, কেন্দ্রবিন্দুতে থাকছে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ ও ‘গণভোট অধ্যাদেশ’।
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, বিরোধী দল জামায়াতসহ তাদের জোটের সদস্যরা ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন’ এবং ‘গণভোট অধ্যাদেশ-২০২৫’ নিয়ে আলোচনার জন্য একাধিক নোটিশ জমা দিয়েছেন। সংবিধান সংস্কার এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের ইস্যুতে আজকের অধিবেশন বেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত ১২ মার্চ শুরু হওয়া এই সংসদের প্রথম অধিবেশনে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছিল।
কমিটির গঠন: বিএনপি থেকে ১১ জন এবং জামায়াত থেকে ৩ জন সদস্য এই কমিটিতে রয়েছেন।
বর্তমান অবস্থা: ১৩৩টির মধ্যে ১১৩টি অধ্যাদেশে সরকারি ও বিরোধী দল ঐকমত্যে পৌঁছেছে।
বাকি ২০টি অধ্যাদেশ: এই বিতর্কিত ২০টি অধ্যাদেশ নিয়ে আজ রাতেই কমিটির তৃতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
ডেডলাইন: সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী, আগামী ১২ এপ্রিলের মধ্যে এই অধ্যাদেশগুলো পাস হতে হবে, অন্যথায় সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
আজকের কার্যসূচিতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের প্রশ্নোত্তর পর্ব রয়েছে:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, নির্বাচন কমিশন ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
বিধি-৭১ অনুযায়ী জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন নোটিশগুলোর নিষ্পত্তি।
সংসদ অধিবেশন চলাকালীন আজ দুপুর ১২টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে মানববন্ধন কর্মসূচির ডাক দিয়েছে ‘গণভোট বাস্তবায়ন নাগরিক ফোরাম’। ফোরামের সহ-সমন্বয়ক ফাহিম মাশরুর জানান, জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় বা ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ নিয়ে পূর্ববর্তী সেশনে কোনো কার্যকর আলোচনা হয়নি। সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের সময়সীমা লঙ্ঘিত হওয়ায় তারা আজ এই মানববন্ধন করবেন। এতে জুলাই বিপ্লবে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন নাগরিক প্ল্যাটফর্ম অংশ নেবে
]]>দেশবাসীকে তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, হতাশ হওয়ার কিছু নেই, পর্যায়ক্রমে সবাই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এমনকি নারী ডিসি ও এসপিরা, এমনকি আমার স্ত্রীও এই কার্ডের আওতায় আসবেন। কারণ জনগণের শক্তির চেয়ে বড় কোনো শক্তি নেই।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুর ১২টায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের সম্মিলিত ইউআই আলিম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কেবল একটি কার্ড নয়, এটি সাধারণ মানুষের শক্তি ও ক্ষমতার প্রতীক। এটি আপনাদের স্বাবলম্বী হতে সহায়তা করবে। এমনকি এর মাধ্যমে পরিবারে ও সমাজে নারীর গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পাবে।
প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাদের এই অবহেলিত এলাকাকে কার্ড বিতরণের জন্য বেছে নিয়েছেন।
সদ্য গঠিত সরকারের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ক্ষমতায় আসার মাত্র ২২ দিনের মাথায় ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। আগামী ১৬ তারিখ থেকে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি শুরু হবে, যার মাধ্যমে বর্ষার পানি সংরক্ষণ করে খরা মৌসুমে সেচ কাজে ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া প্রত্যেক কৃষককে ‘কৃষি কার্ড’ দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে তারা ন্যায্যমূল্যে সার, বীজ ও সেচের সুবিধা ভোগ করবেন।
অতীতের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, বিগত ১৫ বছর দেশে আইনের শাসন ছিল না, মানুষ নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তবে এবার কোনো প্রকার স্বজনপ্রীতি বা টাকা-পয়সা ছাড়াই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।
ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ঘোষণা দেন, ২০২৭ সাল নাগাদ স্থানীয় মেডিকেল কলেজে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ও বিমানবন্দরের কাজ দ্রুত শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে এবং বেকারত্ব দূর করতে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালাম, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহীদুল ইসলাম এনডিসি ও ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা। এছাড়া জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা ও বিপুল সংখ্যক উপকারভোগী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন
]]>তিনি বলেন বাংলাদেশের সাথে ভারতের আসামি হস্তান্তর বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক যে চুক্তি রয়েছে সেই চুক্তি অনুযায়ী শিগগিরই তাদের ফেরত আনা যাবে। এ ব্যপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে কক্সবাজার জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা কোনো সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, অস্ত্রধারী ও ক্রিমিনালকে আইনের বাইরে থাকতে দেব না। এটি আমাদের প্রতিজ্ঞা ও প্রতিশ্রুতি, জনপ্রত্যাশাও তাই। অন্যান্য সকল ক্ষেত্রেও যাতে দেশের মানুষ স্বস্তিতে থাকে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে আমরা জনগণের জন্য স্বস্তিকর পরিস্থিতিতে নিয়ে আসতে পারি। আমরা সারাদেশে যাতে জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী সুশাসন বজায় রাখতে পারি সেজন্য আমাদের কর্মকাণ্ড চালু থাকবে এবং এ বিষয়ে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে৷
জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশের সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান জোরদার করেছি। ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের একটি এলাকায় সিরিয়াস ব্যসেলে পুলিশের সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান চলছে পরে আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীকে সে বিষয়ে জানানো হবে।
ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সব ঘটনাকে মব দাবি করা ভুল। অনেকেই কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে মব বলছে। তবে মবকে কোনভাবেই প্রশ্রয় দিচ্ছে না সরকার, মব বন্ধে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, সারাদেশে সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রমজান মাসের পর পরই এ অভিযান শুরু করবে।
ব্রিফিংয়ে তিনি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সকল অবৈধ স্থাপনা, ঝুপড়ি দোকান উচ্ছেদ করতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কক্সবাজার একটি আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র। সমুদ্র সৈকতকে একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে হবে এবং এ সৈকতকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। তাই এখানে কোন ধরনের ঝুপড়ি পলিথিন দোকান থাকতে পারবে না।
তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর বর্তমান সরকার। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে হবে এবং একই সাথে সারাদেশে অনলাইন জুয়া বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
]]>Suspendisse leo dui, vulputate eu tempus at, feugiat vel magna. Nam a aliquam arcu. Ut sodales ex tempus est pellentesque pellentesque. Maecenas sed ligula augue. Quisque nibh nisi, interdum quis cursus vel, vulputate quis neque. Suspendisse in nisi sit amet magna fermentum gravida rhoncus non libero. Nulla facilisi. In vel varius felis. Suspendisse efficitur varius quam, in tempus nunc aliquam a. Nunc posuere ac velit tincidunt auctor.
]]>