পলাতক সাবেক ডিবি প্রধান হারুনের সম্পদ জব্দে আইনি প্রক্রিয়া শুরু
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক প্রধান হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের তদন্তে নতুন তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তদন্তে কক্সবাজার ও রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় তার নামে জমি ও প্লটের সন্ধান পাওয়ার পর এসব সম্পদ জব্দের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দুদকের আবেদনের পর আদালত সম্পদগুলো জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন।
তদন্তের তথ্য অনুযায়ী, হারুন অর রশিদ রাজধানীর বনানী ও উত্তরাসহ বিভিন্ন অভিজাত ক্লাবের সদস্য ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে এসব ক্লাবের সদস্যপদ গ্রহণ করেন। এছাড়া প্রভাব খাটিয়ে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের সদস্যপদ নেওয়ার তথ্যও তদন্তে উঠে এসেছে।
সাড়ে ১৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মামলা
দুদক বর্তমানে হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ১৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলার তদন্ত করছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ যেন হস্তান্তর, বিক্রি বা গোপন করা না যায়, সে জন্য আদালতের কাছে সম্পদ জব্দ ও ফ্রিজ করার আবেদন করা হয়েছিল। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন।
দুদকের অন্যান্য কার্যক্রম
মুরশেদ আলমের বিরুদ্ধে ৪৭০ কোটি টাকা আত্মসাতের অনুসন্ধান
ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সাবেক চেয়ারম্যান মুরশেদ আলমের বিরুদ্ধে ৪৭০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চলমান অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এনএইচ স্পিনিং মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবুল হোসেনকে আগামী ১৪ জুন দুদকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনুসন্ধান কর্মকর্তার কাছে তার বক্তব্য গ্রহণের জন্য এই তলব করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদের সম্পদ মূল্যায়ন
দুদকের মামলার আসামি সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) নূর মোহাম্মদের সম্পদের মূল্য নির্ধারণে গণপূর্ত অধিদপ্তর একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করেছে।
দুদকের বক্তব্য: আলোচিত এই মামলাগুলোর তদন্ত ও অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
